প্রকাশিত: ০৯/১০/২০২০ ১১:৪৭ এএম

মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নতুন-পুরনো রোহিঙ্গারা বার বার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। গত কয়েকদিনের সংঘাতে প্রাণ গেছে ৮ জন রোহিঙ্গার। এই সংঘাতে আতংকে রয়েছেন ক্যাম্পে কর্তব্যরত চাকরিজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থমথমে অবস্থা। প্রতিদিনই ক্যাম্পের কোথাও না কোথাও মারামারি, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। ঘটছে নানা অপরাধের ঘটনা।
রোহিঙ্গারা বলছে, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি নতুন-পুরনো অনেক রোহিঙ্গা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। যে কারণে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প।
প্রতিদিনই রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষে আহত হচ্ছে অনেকে। আর আহতদের চিকিৎসা সেবা কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন করছে সরকারি-বেসরকারি অনেক চাকরিজীবী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন তারাও।
তবে চাকরিরত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তাহীনতার কোন কারণ নেই বলে জানালেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও জেলা প্রশাসক।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের আমরা আশ্বস্ত করতে চাই। পুলিশ প্রশাসন আছে, তারা সর্বক্ষণ খোঁজ খবর রাখছে।
জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আমার মনে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ের কিছু নেই।
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে সক্রিয় আছে রোহিঙ্গাদের কয়েকটি গ্রুপ। গেল ৩ বছরে এসব ক্যাম্পে সহিংসতায় প্রাণ ঝরেছে অন্তত ৮০ জন রোহিঙ্গার।

পাঠকের মতামত

 

ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের ...

আর্জেন্টিনার জয়োল্লাসের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জয়ে আনন্দ মিছিলের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে নেত্রকোনায় একটি ভবনের ছাদে ...

জরুরি ত্রাণ সহায়তা নিয়ে কক্সবাজারের বন্যাদুর্গতদের পাশে আইআরসি

কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যায় দুর্গতদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)। আইআরসির পক্ষ থেকে কক্সবাজারের ...